বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, গাজীপুর মহানগর

শাখার সংক্ষিপ্ত পরিচিতিঃ-
গাজীপুর মহানগর বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও প্রশাসনিক নগরী, যা উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকার প্রবেশদ্বার। ২০১৩ সালে মহানগর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই ইসলামী ছাত্রশিবির গাজীপুর মহানগর শাখার কার্যক্রম শুরু হয়। এর আগে এই ময়দানটি ঢাকা মহানগর উত্তরের সাথে সংযুক্ত ছিল। বর্তমানে ২৪টি থানা, ১২৪ টি ওয়ার্ড ৩৯১ টি উপশাখা রয়েছে।
গাজীপুর মহানগরীর অধীনে প্রশাসনিক থানা গুলো হলোঃ
টঙ্গী পূর্ব থানা
টঙ্গী পশ্চিম থানা
গাছা থানা
পূবাইল থানা
বাসন থানা
কোনাবাড়ী থানা
কাশিমপুর থানা
সদর থানা
ওয়ার্ড সমূহঃ ৫৫টি (১-২৪, ২৬-৪৯, ৫১-৫৭)
এখানে রয়েছে অসংখ্য শিল্পকারখানা,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক স্থাপনা। যেমনঃ বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা, টাকশাল, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়,আন্তর্জাতিক ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি ( IUT), শহিদ তাজউদ্দিন মেডিকেল কলেজ, বিশ্ব ইজতেমা মাঠ,ভাওয়াল রাজবাড়ি ইত্যাদি।
এ ভূখন্ডে আন্দোলনের পথ কখনো মসৃণ ছিল না। শত জুলুম নির্যাতন,খুন,গুম, হামলা মামলাসহ রয়েছে শাহাদাতের নজরানা। ২০১৪ সালে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে শাহাদাতের অমীয় সুধা পান করেছেন ইসলামি ছাত্রশিবিরের বাসন থানার সাথী শহিদ ফরিদ উদ্দিন মন্ডল ভাই।
জুলাই বিপ্লবে সম্মুখ সারীতে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে জান্নাতের পাখি হয়ে যান প্রিয় শাকিল পারভেজ ভাই। অমায়িক ব্যবহারে আর মুচকি হাসি দিয়ে যিনি আপন করে নিয়েছিলেন সবাইকে। জালিমের বিরুদ্ধে কন্ঠকে উচ্চকিত করতে গিয়ে টগবগে তরুণ সামিউ আমান নুর ও চলে গেছেন মহান রবের মেহমান খানায়।
অপার সম্ভাবনায় গাজীপুর মহানগর এদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠায় অগ্রনী ভুমিকা রাখবে। ইনশাআল্লাহ
ছাত্রশিবিরের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
আমাদের ভিশন
৫ দফা কর্মসূচী
আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে দ্বীন কায়েমের লক্ষ্যে ছাত্রশিবির ঠিক করেছে পাঁচ দফা কর্মসূচি। বিজ্ঞানসম্মত এ সব কর্মসূচীর উপর ভিত্তি করেই পরিচালিত হচ্ছে ছাত্রশিবিরের সকল কার্যক্রম। কর্মসূচিগুলো হলো :
দাওয়াত
সংগঠন
প্রশিক্ষণ
ইসলামী শিক্ষা আন্দোলন ও ছাত্র সমস্যা সমাধান
ইসলামী সমাজ বিনির্মাণ
মুক্তিকামী মানুষের কাফেলা
দেশের প্রতিটি জনপদ জুড়ে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কাজ করে যাচ্ছে তার বিশাল কর্মী বাহিনী নিয়ে। শিবির একজন তরুণকে একইসাথে একজন ভাল ছাত্র ও একজন ভাল মুসলমান হিসেবে গড়ে তুলতে চেষ্টা করছে। ব্যক্তিগত রিপোর্টে পাঠ্য বই পড়ার ও ক্লাসে উপস্থিতির হিসেব রাখার ব্যবস্থা করে শিবির তার কর্মীদের ভাল ছাত্র হতে আগ্রহী করে তোলে।
ইসলাম যেমন সকল মানুষের কল্যাণের জন্য তেমনি ইসলামী ছাত্রশিবিরও মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সবার কাছে ইসলামকে সুন্দরভাবে তুলে ধরার কর্মসূচী নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। তাই এই সুন্দর কর্মসূচী ও চরিত্রবান কর্মীদের প্রতি দিন দিন জনসমর্থন বাড়ছে। আসুন, আপনিও শিবিরের পতাকাতলে সমবেত হয়ে নিজেকে গড়ে তুলুন সুন্দর ও যোগ্যতম ব্যক্তি হিসেবে। শরিক হোন ইহকাল ও পরকালের মুক্তিকামী মানুষের এই কাফেলায়।
